বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা আলাদাভাবে ভাবে না — বাংলা ভাষা নেই, স্থানীয় পেমেন্ট সুবিধা নেই, কাস্টমার সাপোর্টও ইংরেজিতে। cg44 এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই এসেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, একজন বাংলাদেশি খেলোয়াড় তাঁর নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং নিজের সুবিধামতো সময়ে গেমিং উপভোগ করার অধিকার রাখেন। cg44 সেই অধিকারটা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে।
শুরুর গল্প
২০২০ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা cg44-এর ভিত্তি গড়েন। তাঁদের মধ্যে কেউ গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন, কেউ পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে কাজ করেছেন, আর কেউ সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। মিলে মিশে তাঁরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানাতে চাইলেন যেটা শুধু ব্যবহার করাই সহজ নয়, বরং বিশ্বাসযোগ্যও।
শুরুতে মাত্র কয়েকশো ব্যবহারকারী নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ cg44-এ নিবন্ধিত সদস্যের সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে — এবং প্রতিদিন নতুন মুখ যোগ হচ্ছে। এই বৃদ্ধি কোনো বিজ্ঞাপনের জোরে নয়, বরং একজন সন্তুষ্ট খেলোয়াড় আরেকজনকে বলেছেন বলেই।
আমাদের মিশন
cg44-এর মিশন সহজ — বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়কে নিরাপদ, ন্যায্য এবং উপভোগযোগ্য গেমিং পরিবেশ দেওয়া। আমরা চাই প্রতিটি মানুষ যখন cg44 ব্যবহার করবেন, তখন তাঁর মনে হবে এটা তাঁর জন্যই বানানো হয়েছে।
স্বচ্ছতা আমাদের মূলনীতি
cg44-এ কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো অস্পষ্ট নিয়ম নেই। বোনাসের শর্ত থেকে শুরু করে উইথড্রের সময়সীমা — সবকিছু স্পষ্টভাবে জানানো হয়। আমরা বিশ্বাস করি, একজন খেলোয়াড় যদি পুরোপুরি বুঝে খেলতে পারেন, তাহলেই তাঁর অভিজ্ঞতা সত্যিকারের আনন্দময় হয়।
বাংলাদেশি পেমেন্টে সম পূর্ণ সমর্থন
মোবাইল ব্যাংকিং, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মাত্র ২০০ টাকা থেকে ডিপোজিট করা যায়। উইথড্রও সহজ — সাধারণত ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে চলে আসে। কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ডের ঝামেলা নেই।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার
cg44 বিশ্বাস করে, বিনোদন হওয়া উচিত আনন্দের উৎস — চাপের নয়। তাই আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলডাউন পিরিয়ডের মতো সুবিধা সব খেলোয়াড়ের জন্য সহজলভ্য রাখা হয়েছে।
আমাদের প্রতিশ্রুতি
cg44 একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং নিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্ম। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক লেনদেন সর্বোচ্চ এনক্রিপশন প্রযুক্তি দিয়ে সুরক্ষিত রাখা হয়।